
কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামে সৌদি প্রবাসী এক ব্যক্তির স্ত্রী, সন্তান ও ভাতিজাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে ওই প্রবাসী বাদী হয়ে হোমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাতের কোনো এক সময় প্রবাসী জহিরুল ইসলামের বসতবাড়িতে ঢুকে দুর্বৃত্তরা। একপর্যায়ে তাঁর স্ত্রী সুখিয়া বেগম (৩৫), চার বছর বয়সী ছেলে মো. হুসাইন ও পাঁচ বছর বয়সী ভাতিজা মো. জুবাইদকে গলা কেটে হত্যা করে।
পরে পৃথক কক্ষে মরদেহ তিনটি ফেলে রেখে যায়। হত্যার পর ঘরের স্টিলের আলমারি ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, মুঠোফোনসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
সৌদি আরব থেকে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়িতে পৌঁছান সুখিয়ার স্বামী জহিরুল ইসলাম। পরে গ্রামের ঈদগাহ মাঠে তিনজনের জানাজা হয়। জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে তাঁদের পাশাপাশি দাফন করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ঘটনার সময় জহিরুল ইসলাম সৌদি আরবে ছিলেন। পরিবারের বড় মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে এবং ছোট মেয়ে একটি মাদ্রাসার আবাসিক হোস্টেলে অবস্থান করছিল। কী কারণে একই পরিবারের তিনজনকে এভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।




